Posts

Showing posts with the label India Rag

মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী তার বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন জানলে আপনিও অবাক হবেন।

এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বিজেপির তরফ থেকে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মূল বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। সেই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষন দিচ্ছিলেন ঠিক সেই সময় সেখানকার অস্থায়ী প্যান্ডেলের ছাদ ভেঙে পড়ে। সেই দুর্ঘটনার পড়েও প্রধানমন্ত্রী তার ভাষন বন্ধ করেন নি বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও আসল সত্য এই যে মোদীজি ভাষণ কিছুমুহূর্তের জন্য বন্ধ করেন এবং আবার ভাষণ শুরু করেন। এই ভাষন চালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কিছু সংবাদ মাধ্যম মোদীর অমানবিক আচরণ বলে দাবী করছে। অপর দিকে বিষেষজ্ঞরা মোদীজির এই ব্যাপারটিকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি প্রধানমন্ত্রী মোদীজি যে সময় ভাষন দিচ্ছিলেন তখন সেখানে লক্ষ লক্ষ লোক ছিল। সেখানে তিল ফেলার মত যায়গা ছিল না। উদ্যোক্তারা যতটা পরিমাণ আসা করেছিল ভিড় তার থেকে অনেক বেশি পরিমানে হয়ে গিয়েছিল। সেই ভিড়ের চাপ সহ্য করতে না পেরেই প্যান্ডেলের ছাদ ভেঙে যায় এবং অনেক লোক আহত হন। কিন্তু সেই সময় যদি সেই দুর্ঘটনার কথা মঞ্চ থেকে জানানো হত তাহলে তখন মাঠে হুড়োহুড়ি বেঁধে যেত তার ফলে বহু লোকের প্রান যেত পারত। তাই মোদীজি সেই সময় মঞ্চ ...

আসাউদ্দিন ওয়েসি নতুন জিন্না!! সেনাকে ধর্মের সাথে টেনে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করায় আসাউদ্দিনকে আক্রমণ করলেন সম্বিত পাত্র।

Image
২০১৯ নির্বাচন সামনে আসে সাথে সাথে দেশের রাজনীতি উথাল হতে শুরু করেছে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দল নিজের নিজের ভোটব্যাঙ্কে তৈরির জন্য মাঠে নেমে পড়েছে। একদিকে যেখানে কংগ্রেস ‘হিন্দু পাকিস্থান’ এর মতো দেশবিরোধী মন্তব্য করে এক সম্প্রদায়কে তোষণ করা শুরু করেছে তেমনি AIMIM এর প্রধান আসাউদ্দিন ওয়েসিও আবার সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করা শুরু করেছে। AIMIM দেশের এমন একটা রাজনৈতিক দল যারা শুধুমাত্র মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক এর জন্য রাজনীতি করে এবং খোলাখুলি হিন্দুদের মারার হুমকি দেয়। আসাউদ্দিন ওয়েসীর ভাই আকবর উদ্দিন খোলাখুলি সাম্প্রদায়িক কথা বলে হিন্দুদের শেষ করার হুমকি দিয়েছিলেন। এবার আরো একবার ভোট সামনে আসতেই আসাউদ্দিন ওয়েসি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করেছেন। সম্প্রতি একসভায় ভারতের সেনাবাহিনী ও বিএসএফ নিয়ে রাজনীতি করে বসেন। ওয়েসি বলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ৪ বছরে কতজন মুসলিমকে সিআরপিএফ এ নিযুক্ত করেছে সরকার? ওয়েসি সেনাবাহিনীতে মুসলিম সংখ্যা কথা তুলে ধর্মের রাজনীতি শুরু করেন। এর প্রতিবাদে অবশ্য দেশের সেনা জানিয়েছে যে সেনাকে নিয়ে ধর্ম ও রাজনীতির খেলা খেলবেন না। আমাদের একটাই পরিচয় আমরা ভারতীয় সেনা। আর বিষয় নিয়েই গতকাল এক ডি...

Video:টিভি বিতর্কে মহিলা গেস্ট এর সাথে মারপিট করলেন মৌলানা!! সমর্থনে এগিয়ে মারপিট করলেন সিপিএম নেতা।

Image
গতকাল জী হিন্দুস্থান চ্যানেলে তিন তালাক সংক্রান্ত ডিবেট চলাকালীন এক মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা কাশিম এক মহিলা গেস্ট এর উপর আক্রমণ করে বসেন। এই মৌলানা বিতর্কের প্রথম দিক থেকেই ষ্টুডিওতে উপস্থিত দুই মহিলার সাথে জগন্য ব্যাবহার করেন এবং ব্যাক্তিগত আক্রমণ করেন। প্রথমে এই ভিডিও দেখুন- মৌলানা ডিবেটে তিন তালাক ও হালালার মতো কুপ্রথার সমর্থন করছিলেন এবং মহিলাদের সাথে বাজে ব্যবহার করছিলেন। বিতর্কে মৌলানা মহিলাদের গালাগালি করেন তারপর তাদের কাঁদান এবং তারপর অথিতি মহিলার সাথে মারপিট করেন। ভিডিও দেখুন- তবে এখানেই ঘটনা থামেনি, মৌলানা মারপিট করার পর উনার সমর্থনে এগিয়ে আসেন এক সিপিএম নেতা। আসলে সিপিএম নেতা আমির হায়দার জেদি জী হিন্দুস্থান এর ষ্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন যিনি মৌলানা কাশিমেরে সমর্থনে বেরিয়ে আসেন এবং তিনিও মারপিট করার অবস্থায় চলে আসেন। সিপিএম এর সমর্থন- 24 Ghanta

দেশবিরোধী অভিযোগে স্বামী অগ্নিবেশকে পেটালেন বিজেপির যুবমোর্চার ছেলেরা।

স্বামী অগ্নিবেশ যিনি নিজেই নিজের নামের আগেই স্বামী লাগিয়ে নিজেকে হিন্দুদের স্বামী বলে প্রচার করেন। আজ স্বামী অগ্নিবেশকে ঝাড়খণ্ডে বিজেপির যুবা মঞ্চের যুবকে পিটিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর এই বিষয় নিয়েই মিডিয়া বিজেপি বিরোধী প্রচার শুরু করে দিয়েছে। আসলে কিছু মিডিয়া ও বিরোধীরা প্রচার করছে এই যে বিজেপি একটা হিন্দু স্বামীজিকে পিটিয়েছেন। আর এই অপপ্রচার চালিয়ে তারা প্রমান করতে ব্যাস্ত হয়েগিয়েছে যে বিজেপি একটা হিন্দু বিরোধী পার্টি যারা একটা গেরুয়া বস্ত্র পরা ব্যাক্তিকে পিটিয়েছে। আসলে এই অগ্নিবেস এর অভিযোগ ছিল যে তিনি খ্রিস্টান মিশনারিদের সাথে মিলে আদিবাসীদের উস্কানি দিচ্ছিলেন দেশ বিরোধী কাজ করার জন্য। হ্যাঁ এটা ঠিক যে গনতান্ত্রিক দেশে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া উচিত নয়। তবে এই হিন্দু নামধারী এই অগ্নিবেসের বিরুদ্ধে এমন কিছু তথ্যে রয়েছে যা জানার পর আপনিও রেগে যাবেন। আসলে আপনার যদি আগে কখনো এই অগ্নিবেস এর নাম শুনে থাকেন তাহলে জানবেন যে ইনি বেশিরভাগ সময় কংগ্রেসের পক্ষ নিয়েই কথা বলতেন এবং কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নবাদী নেতাদের সাথে এনার খুব কাছের সম্পর্ক ছিল। জানলে অবাক হবেন স্বামী অগ্নিবেশ ইয়াসিন মাল্লিকের এর...

ভারতের ইসলামিক পতাকার সাথে পাকিস্থানের পতাকার মিল থাকায় পতাকা ব্যান করতে কড়া পদক্ষেপ নিলেন রিজভী।

Image
মুসলিম এলাকা গুলিতে সাধারণত বাঁকা চাঁদ যুক্ত সবুজ রং এর পতাকা উড়তে দেখা যায়। এই পতাকা মূলত পাকিস্তানকেই ইঙ্গিত করে এমনি দাবি করে আদালতের দারস্ত মুসলিম সমাজের একাংশ। তাই সুপ্রিমকোর্ট এর একটি মামলার নিরিখে সেই দৃশ্য এবার বন্ধ হতে যাবার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। পাকিস্তানের মত পতাকা এবার ভারতবর্ষতে নিষিদ্ধ হতে চলেছে। মুসলিম সমাজের একাংশের দাবি, পাকিস্থানের জাতীয় পতাকার মতোই(একটু আলাদা)দেখতে ভারতের ইসলামিক পতাকা। আর তাই এই ব্যাপারটিকে না মানতে পেরে মুসলিম সমাজের একাংশ সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয়েছে। এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার আগে শীর্ষ আদালত পুরো বিষয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চেয়েছেন। অনেক সময় অন্য সম্প্রদায়ের মানুষ ইসলামিক পতাকাকে পাকিস্থানি পতাকা ভেবে ভুল করে নিজেদের মধ্যে বিভেদকারী মানসিকতা তৈরী করে বলেও দাবি অনেকের। মুসলিম সমাজের একাংশের দাবি যে মুসলিম প্রধান এলাকায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কিংবা বাড়িতে এই ধরনের পতাকা দেখা যায়। এটা আসলে ইসলামিক ফ্ল্যাগ নামে পরিচিত। এই পতাকা কোনো ভাবেই পাকিস্তানকে সাপোর্ট করে না। কিন্তু সিয়া ওয়াকফ বোর্ডের তরফে সৈয়দ ওয়াসিম রিজভি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে বলেন যে...

মোদী বিরোধী জোটে বড়ো ফাটল!! ২০১৯ নির্বাচনের আগেই কি হার মেনে গেল বিরোধীরা?

একদিকে যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের গরিবি, দুর্নীতিকে হারানোর জন্য নিজের সমস্থ শক্তি প্রদান করেছেন সেইসময় দেশের বিরোধীদলগুলি মোদীকে হারানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্তু ২০১৯ এর নির্বাচনের আগে মোদী বিরোধীরা জোট হয়ে মোদী বিরোধীতা করা তো দূর, নিজের এক হতে পারবে কিনা সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠেগেছে। আসলে কিছুমাস আগে কর্নাটকে ডি কুমারস্বামী শপদ গ্রহণের সময় যেভাবে সোনিয়া, মায়াবতী, মমতা এক হয়েছিল তাতে মনে করা হচ্ছিল যে বিরোধীরা জোট হয়ে মোদী বিরোধতায় নামতে পারবে। কিন্তু এখন যা খবর সামনে আসছে তাতে মহাজোটবন্ধন গড়ে উঠবে কিনা তাই নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ হচ্ছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে সোনিয়া ও মায়াবতী কিছুমাস আগে গলাগলি করে মহাজোটবন্ধন করার গল্প বলছিলেন তারাই আজ একে অপরকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। মায়াবতী সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর উপর আক্রমন করে যা বলেছেন তাতে তোলপাড় পুরো রাজনৈতিক মহল। আসলে বসপা এর সুপ্রিমো মায়াবতী রাহুল গান্ধীর উপর আক্রমণ করে বলেন রাহুল গান্ধী কখনো প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। কারণ তার চেহেরার তার বাবার থেকে বিদেশি মায়ের ছাপ বেশি। বসপার মতে ইতালির এন্টোনিয়া মিয়ানোর(সোনিয়া গান্ধী) এ...

২০১৯ নির্বাচন সামনে আসতেই বড় ঝটকা পেলো রোহিঙ্গাপ্রেমী কেজরিওয়াল।

২০১৯ এর নির্বাচন যত সামনে আসছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। প্রধানমন্ত্রী পদে বসার জন্য এবং মোদীজিকে আসন থেকে সরানোর জন্য বিরোধীরা এক হতে শুরু করেছে। মমতা থেকে কেজরিওয়াল সকলকেই মোদীকে হারানোর জন্য নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করতে শুরু করেছে। কিন্তু এই দলগুলি শক্তিশালী হওয়ার উল্টে আরো দুর্বল হতে শুরু করে দিয়েছে। কেজরিওয়াল এর সরকার মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের লোভে দিল্লিতে যে রোহিঙ্গা মুসলিম ও অবৈধ বাংলাদেশী রয়েছে তাদের জন্য জল থেকে আলো সবকিছুই বিনামূল্যে করে দিয়েছে যেখানে দিল্লীবাসী জলের জন্য টাকা প্রদান করেও জল ও আলো পাচ্ছে না। শুধু এই নয় রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাঙালদেশীদের বাসগুলিতে ফ্রিজ ও ac এর ব্যবস্থা করা হয়েছে যার কোনো টাকা কেজরিয়াল সরকার নেয় না। অন্যদিকে ওই একই সাথে উপযুক্ত কাগজপত্রের সাথে বাস করা হিন্দুশরণার্থীদের জলের ও আলোর পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল কেজরিওয়াল সরকার। আর যার পরিণামে কেজরিয়াল সরকারের উপর ক্ষোপ প্রকাশিত হচ্ছে হিন্দুদের। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী পাঞ্জাব থেকে ১৬ নেতা আমআদমি পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন। যাদের মধ্যে ৫ জেলাসভাপতি, ২ মহাসচিব ও ৬ ক্ষেত্রীয় ইনচার্জ রয়েছে...

সেলেব্রেটি নয় এবার রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে বিজেপি যাদের নির্বাচন করলো জানলে আপনিও গর্বিত হবেন।

এবার রাজ্য সভার আসনে বড় পরিবর্তন আনল বিজেপি। এবার আর কোনো সেলিব্রিটি নয় রাজ্য সভার সাংসদে আসনে বসতে চলেছে চারজন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক । বিজেপি সরকার যে সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই কাজ করে সেটা আবার প্রমান হয়ে গেল এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে। তারা বরাবর সাধারন মানুষকেই গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। আগে যেই সব সিটে রেখা, সচীন টেন্ডুলকরের, মত সেলিব্রিটিরা বসতো এবার সেই সব সিটে বসতে চলেছেন সাধারণ ভারতীয় নাগরিকরা যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতী লাভ করেছেন। ভারতের রাষ্ট্রপতির মনোনয়নে যে সমস্ত মানুষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে রাজ্যসভার সদস্য হবার জন্য তারা তাদের পুর্বসূরীদের মানে রেখা, সচীন টেন্ডুলকরের তুলনায় অনেকটাই অখ্যাত কিন্তু তারা সবাই নিজেদের নিজেদের কর্মক্ষেত্রে পরিচিত নাম এবং ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। এরা হলেন দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফেসার রাকেশ সিনহা, রাম সাকাল যিনি একজন কৃষক নেতা, মূর্তি শিল্পী রঘুনাথ মহাপাত্র এনং নৃত্য শিল্পী সোনালী মানসিং। এদের মধ্যে যিনি নৃত্য শিল্পী সোনালী মানসিং তিনি ভারতনাট্যম ও ওডিসি নৃত্য শিল্পী হয়ে অনেক নাম অর্জন করেছেন। মূর্তি শিল্পী রঘুনাথ মহাপাত্র মূর্তি শিল্পী হিসাবে সুনাম...

‘মা মাটি মানুষের’ নামে সিন্ডিকেট রাজ!! মেদিনীপুর থেকে রাজ্যের শাসন ব্যাবস্থার নিন্দা করলেন নরেন্দ্র মোদী।

রাজ্যে যেভাবে গেরুয়া শিবির শক্ত হচ্ছে তাতে পশ্চিমবঙ্গে পদ্মফুল ফুটতে আর বেশি দেরি নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। আর বিজেপির এই বেড়ে চলা শক্তিকে আরো মজবুত করতে কিছুদিন আগেই এসেছিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। আর এবার অমিত শাহের পর রাজ্যে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মেদিনীপুরে কৃষকদের কৃষক কল্যাণ সমাবেশে যোগদেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কৃষকদের উৎপাদিত শস্যের সহায়ক মূল্য বাড়ানোর পর বিজেপি এই সভার আয়োজন করেছে বলে মনে করা হয়েছে। এই সভায় উপস্থিত বিশাল জনসংখ্যাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ধন্যবাদ জানান। মেদনিপুরের রাস্তায় রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর লাগানো ব্যানার এর উপর কটাক্ষ করেন মোদীজি। মোদীজি ২০২২ এর মধ্যে কিভাবে কৃষকদের আয় দ্বিগুন করবেন সেই বিষয়েও উপস্থিত সকলকে জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার এই সভা থেকে তৃণমূলের উপর তীব্র আক্রমন ছুড়েন। মোদীজি বলেন, ‘ এই রাজ্যে সিন্ডিকেট ছাড়া কিছু করা সম্ভব নয় , পশ্চিমবঙ্গে মা মাটি মানুষের নামে সিন্ডিকেট রাজ চলছে। নতুন কোনো সংস্থা খুলতে গেলেও সিন্ডিকেটের দারস্ত হয়ে হয় এমনকি ইট,বালি,সিমেন্ট কিনতেও সিন্ডিকেটের পা ধরতে হয় সাধারণ মা...

মেদিনীপুরের রাস্তায় রাস্তায় মমতা ব্যানার্জীর ব্যানার লাগানোর জন্য কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

কিছুদিন আগেই রাজ্যে এসেছিলেন বিজেপির রাষ্ট্রীয় সভাপতি অমিত শাহ। আর এবার পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে এলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি তার ভাষণের শুরুতেই উপস্থিত জনগণকে শুভেচ্ছা জানান এবং তিনি এই বিশাল সংখ্যায় মানুষ তার সভায় উপস্থিত থাকার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই কৃষক কল্যাণ সমাবেশ এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকেও কটাক্ষ করেন। আসলে প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি যখন আসছিলাম তখন বিশাল জনসংযোগ আমার চোখকে এড়িয়ে যায়নি এর জন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ এবং একই সাথে আমি মমতা ব্যানার্জীর কাছেও কৃতজ্ঞ। মোদীজি বলেন, আমি মমতা দিদির কাছে এই জন্যেই কৃতজ্ঞ কারণ উনি স্বয়ং নিজের হাতজোড় করা ছবি রাস্তায় হোডিং এ লাগিয়ে আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাই আমি মমতা দিদির কাছেও কৃতজ্ঞ। আসলে মেদিনীপুরে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি আসছেন এই জন্য তৃণমূল মেদিনীপুরের রাস্তা ঘাট মমতার ছবি ও ব্যানারে ভরিয়ে দেন। আসলে গনতান্ত্রিক দেশে এই রকম রাজনীতি শোভা না পেলেও রাজনৈতিক স্বার্থে ও হিংসায় মেদিনীপুরের রাস্তা ঘাট ভরিয়ে ফেলেছে তৃণমূল। আর বিষয়েই কটাক্ষ ক...

মোদী ও যোগীকে নিয়ে চমকে দেওয়ার ভবিষ্যতবাণী করলেন এই বিখ্যাত জ্যোতিষী।

২০১৯ এর নির্বাচনকে কে কেন্দ্র করে আরো একবার দেশের রাজনৈতিক দলগুলি মাঠে নেমে পড়েছে। সমস্থ রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের জিত নিশ্চিত করতে সমস্থ জোরপ্রদান করতে শুরু করে দিয়েছে। দেশে প্রধানমন্ত্রীর আসন একটা থাকলেও সেখানে বসার জন্য দাবিদার অনেকে বেরিয়ে পড়েছে। তাই সমস্থ নেতারা এই নির্বাচনের জয় নিজেরদের নামে করতে প্রস্তুত হয়েগিয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে দেশের এক চর্চিত জ্যোতিষী এমন ভবিষ্যতবাণী করেছেন যার শোনার পর নেতাদের চমকে গিয়েছেন। এই জ্যোতিষী হলেন বেজান দারুয়াল এর ছেলে লাস্তুর বেজান দারুয়ালা।তিনি ভবিষ্যতবাণী করে জানিয়েছেন ২০১৯ এ আরো একবার প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদীজি। এই বিখ্যাত জ্যোতিষী আমেদাবাদ কলেজের ইংরাজীর অধ্যাপক। দারুয়ালা এর অনুযায়ী, মোদীজির কুন্ডলি বৃশ্চিক লগ্নের আর এই বৃশ্চিকে কেতু খুব লাভবান হবে। এছাড়া বৃশ্চিক এর জন্য বৃহস্পতি পঞ্চমেশ এ থাকে। মনে করা হয় যে এই স্থিতি যে জাতকের রাশির মধ্যে থাকে তার সাথে সমস্থকিছু শুভ হয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কুন্ডলি পড়ার পর জ্যোতিষী জানিয়েছেন যে এবার থেকে আরো একবার উনার শুভ সময় শুরু হয়ে গিয়েছে।তাই ২০১৯ এ উনাকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে কেউ ...

যারা ভগবান রামকে কাল্পনিক বলতেন তারাই আজ মন্দির নির্মাণের জন্য বিজেপি নেতার পা এ পড়লেন।

২০১৯ নির্বাচন যত সামনে আসছে দেশের রাজনৈতিক মহল ততই গরমাগরম হয়ে উঠছে। মোদী সরকার কেন্দ্রে আসার পর থেকে দেশ উন্নয়নে একের পর এক উচ্চতা উপলদ্ধি করেছে যার জন্য বিজেপিকে আক্রমণ করার জন্য তেমন কোনো ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না কংগ্রেস। যে কংগ্রেস নিজে রাম মন্দির তৈরির বিরোধিতা করে তারাই আজ রাম মন্দির হতে দেরি কেন সেই ব্যাপারে আক্রমন শুরু করেছে। আপনাদের জানিয়ে দি দেশে যতদিন কংগ্রেস সরকার শাসন করেছে ততদিন তারা রাম মন্দিরের বিষয়কে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে শুধুমাত্র মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের জন্য কংগ্রেস রামমন্দির নির্মাণের বিষয়কে দাবিয়ে রাখতো। আর আজ এই কংগ্রেস কিছু ইস্যু না পেয়ে রাম মন্দির নিয়ে বিজেপির কাছে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে। সম্প্রতি এক টিভি চ্যানেলে ডিবেট চলছিল যেখানে বিজেপি প্রবক্তা সম্বিত পাত্র এবং কংগ্রেস প্রবক্তা রোহন গুপ্তা বিতর্ক করছিলেন। এই বিতর্কের সময় হটাৎ করেই রাম মন্দির নির্মাণের ইস্যু উঠে যায়। আসলে রোহন গুপ্তা সম্বিত পাত্রকে জিজ্ঞাসা করেন যে আপনারা দল হিন্দুদের জন্য কি করেছে? কংগ্রেস প্রবক্তা সম্বিত পাত্রের পা ছুঁয়ে বলেন ‘আমি হিন্দু, আপনি আমার জন্য কি করেছেন? আপনি বড়ো অফিসে বসে থাকেন কিন্...

৯৩ হাজার পাকিস্থানি সৈনিককে বন্দী বানিয়ে ইসলামিক দেশকে দু টুকরো করেছিলেন ভারতমাতার এই বীর সন্তান।

আজ ভারতবর্ষের ইতিহাসে অত্যাচারী মুঘলদের মিথ্যাগল্প পোড়ানো হলেও ভারতমাতার আসল বীরদের ইতিহাস পোড়ানো হয় না। আর তা পোড়ানো হবেই বা কেন, আসল সত্য ইতিহাসে প্রকাশ করলে তো কংগ্রেসের এক সম্প্রদায়ের প্রতি তোষণ নীতি উঠে যাবে এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপও সামনে চলে আসবে। দেশের অজানা ইতিহাস তো দূরে থাক দেশের সেনাদের বীরত্ব পর্যন্ত জনগণের থেকে লুকিয়ে রেখেছে কংগ্রেস। আপনারা নিশ্চয় ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো এর নাম শুনে থাকবে। হ্যাঁ অবশ্য নাম নাও শুনে থাকতে পারেন। কারণ আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকজন সিনেমাজগতের লোকেদের নাম,তাদের জন্মদিন মনে রাখতে ব্যাস্ত থাকে। ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো ১৯১৪ সালের ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহন করেছিলেন।পাকিস্থানের টুকরো করে দেওয়া এই ব্যাক্তি পাঞ্জাবের অমৃতসরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পাকিস্থানের হাজার হাজার সৈনিককে সাফ করে পাকিস্তানকে থুতু চাটতে বাধ্য করেছিলেন সেই বীর মহাযোদ্ধা ছিলেন ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো। ১৯৭১ এর ভারত পাকিস্থান যুদ্ধের মহানায়ক ছিলেন ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানিকসো ছিলেন যিনি এই যুদ্ধের জন্য রণনীতি বানিয়েছিলেন এবং পাকিস্থানের উপর এক বড়ো জয় পেয়েছিলেন। এই জয় এতটাই বড়ো ছিল যে...

কর্ণাটককে কেন্দ্র করে অমিত শাহের ভবিষ্যতবাণী সত্য হতে চলেছে তার প্রমান মিললো আবারও।

কর্ণাটককে কেন্দ্র করে অমিত শাহের ভবিষ্যতবাণী সঠিক হতে চলেছে তার প্রমান মিললো আরো একবার। আসলে কয়েকমাস আগে হওয়া কর্নাটক নির্বাচনে বিজেপি সবথেকে বেশি সংখ্যক সিট পাবার সত্ত্বেও সেখানে সরকার গঠন করে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকার। এই দুই দল একে অপরের শত্রু বলেই জানা যায়। কিন্তু শুধু মাত্র বিজেপিকে হারানোর জন্য তারা জোটবদ্ধ হয়। যদিও প্রথম থেকে এটা পরিষ্কার ছিল যে এই জোট সরকার খুব একটা সুবিধার হবে না। কারন রাজনৈতিক ইতিহাসে এই দুটি পার্টি কখনোই একসাথে ঘর করতে পারেনি আর এক্ষেত্রেও তার অন্যথা হল না। সময় বাড়ার সাথে সাথে কর্নাটকে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারের মধ্যে বিরোধ আরও চরম আকার ধারন করে। সম্প্রতি কর্ণাটক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডি কুমারস্বামী নিজেই একথা স্বীকার করেন। কুমারস্বামী বলেন, তিনি ক্ষমতায় আছেন বলে রাজ্যের মানুষ খুশি হলেও তিনি নিজে একদম খুশি হতে পারছেন না। জোট সরকারের ফলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়াটা তার কাছে ভগবান বিশ্বনাথের মত বিষপান করতে বাধ্য হবার মত ঘটনা। এই কথা বলতে গিয়ে তিনি কেঁদে ফেললেন। জেডিএসের একটি সভা ছিল বেঙ্গালুরুতে সেখানেই তিনি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন সেই সময় তিনি বলেন যে আমি ভোটের আগে মুখ্যমন্ত...

Video: মন্দির থেকে পাওয়া প্রসাদ নিয়ে কংগ্রেস নেতা যা করলো দেখলে রেগে লাল হবেন।

Image
হিন্দুদের প্রতি কংগ্রেসের আচরণ কেমন তা এখণ সকল দেশবাসীর সামনে পরিষ্কার হয়েছে। কংগ্রেসের নেতারা হিন্দুদের তালিবান থেকে শুরু করে আতঙ্কবাদী,হিন্দু পাকিস্তান বলে মন্তব্য করে হিন্দুদের অপমান করছে। অন্যদিকে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী মুলসিম বুদ্ধিজীবীদের কাছে কংগ্রেসকে মুসলিম পার্টি বলে অভিহিত করে এবং একই সাথে মন্দির যাওয়ার জন্য ক্ষমাও চান।আসলে কংগ্রেস এর নেতারা হিন্দুদের আবেগে আঘাত দেওয়ার জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। কংগ্রেসের এক বিখ্যাত নেতা জয়টিরাদিত সিনধিয়া কিভাবে হিন্দুদের ধর্মবেগে আঘাত হেনেছেন তা নিচের ভিডিওতে দেখতে পাবেন। কগ্রেসের এই যুবনেতা কিভাবে অহঙ্কারের মধ্যে ডুবে খারাপ কাজ করছেন তা নীচের ভিডিওতে দেখতে পাবেন। আসলে সিন্ধিইয়া মন্দির গিয়েছিলেন এবং মন্দিরে উনি প্রসাদ হিসেবে নারকেল পেয়েছিলেন। এখন উনি নিজের গাড়িতে বসার পর গাড়ি চলতে শুরু করলেই গাড়ি থেকে নারকেল ফেলে দেন। ভিডিও নিচে- নিজেকে রাজা মনে করা এই কংগ্রেসি নেতা কিভাবে নিজের অহংকার দেখিয়ে ভিডিওতে দেখতে পাবেন। এইসব নেতারা কি মানসিকতার সাথে মন্দিরে যায় তা বুঝতেই পারছেন। আসলে এইসব নেতারা নিজেদের হিন্দু প্রমান করতে মন্দিরে যায় যাতে মূর্খ ...

রাম মন্দির নিয়ে বড়ো খবর!! জমি নিয়ে শিয়াওয়াকফ বোর্ড নিলো বড়ো সিদ্ধান্ত।

দেশে মোদী সরকার আসার পর থেকে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। রাম মন্দির তৈরী জন্য হিন্দুরা বহুদিন লড়াই চালালেও এখন অবধি রাম মন্দির নির্মাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। দেশে যতবার বিজেপি সরকার এসেছে ততবারই হিন্দুদের জন্য রাম মন্দির তৈরী করার লড়াই আরো তিব্র হয়েছে। যদিও বিজেপি পরিষ্কার জানিয়েছে যে রাম মন্দির নির্মাণ বিজেপির নির্বাচনের ইস্যু নয়। হিন্দুদের আস্থা ও দেশে কথা ভেবেই রামমন্দির নির্মাণ করতে চাই তারা। অন্যদিকে কংগ্রেস আমলে বরাবর রামমন্দির ইস্যুকে দাবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে শুধুমাত্র মুসলিম ভোটের লোভে। আপনাদের জানিয়ে রাখি রাম মন্দির নির্মাণের ব্যাপারে শুনানি এখন খুব জোরদার দিয়ে শুরু হয়েছে। রাম মন্দির নিয়ে একটা বড় খবর সামনে আসছে, শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াক বোর্ড মুসলিমদের পাওয়া একতৃতীয়াংশ জমির উপর নিজেদের অধিকার জানিয়ে বলে বাবরি মসজিদ শিয়া ওয়াক বোর্ডের ছিল। শিয়া ওয়ার্কবোর্ড জানায় যে মুসলিমদের পাওয়া একতৃতীয়াংশ অংশ তারা দেশে শান্তি, সৌহার্দবোধ ও একটা বজায় রাখাতে হিন্দুদের মন্দির তৈরি করার জন্য প্রদান করতে চাই। অন্যদিকে জমিয়তে উলেয়া হিন্দ এর তরফ থেকে উকিল রাজীব ধাওয়ান বাবরি মসজিদ ভাঙ্গায় ...

এবার তিন তালাক ও হালালা নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বিজেপি সরকার কেন্দ্রে আসার পর থেকে মুসলিম মহিলাদের সামাজিক উন্নয়নের জন্য জোরদার প্রয়াস শুরু করেছে। কেন্দ্রে বহু বছর ধরে রাজত্ব করেও কংগ্রেস শুধু মাত্র ভোটব্যাঙ্কের জন্য তিন তালাক ও হালালার মতো কুপ্রথার বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠতে পারেনি। কিন্তু মোদী সরকার আসার পরই তিন তালাক ও হালালা থেকে পীড়িত হওয়া মহিলাদের পাশে দাঁড়ায় এবং তিন তালাক প্রথাকে বন্ধ করার সিধান্ত নেই। অন্যদিকে নিকাহ হালালার উপরেও আদালতে কেন্দ্র নিজেদের রায় পরিষ্কার রাখবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও বিরোধীরা বরাবরই মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের চরম বিরোধিতা করেছে। আর এই নিয়েই এদিন আজমগড়ে বক্তিতা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীজি বলেন দেশের কোটি কোটি মুসলিম মা, বোনেরা তিন তালাক থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আদালতের দারস্ত হয়েছিল কিন্তু বিরোধীরা এক হয়ে তিন তালাক আইনের বিরোধিতা করেছিল।কেন্দ্র সরকার যেখানে মহিলাদের এবং বিশেষ করে মুসলিম মহিলাদের জীবনকে সুন্দর করার জন্য নিরন্তর চেষ্টা করছে সেখানে বিরোধীরা মহিলাদের আরো সংকটে ফেলছে। মোদীজি বলেন বিশ্বের ইসলামিক দেশগুলিতেও তিন তালাক বন্ধ রয়েছে। মোদীজি বিরোধীদের উদেশ্য এ বলেন যান গিয়ে তিন তালাক এ শোষিত...

আমেরিকার এই বিখ্যাত বিজনেসম্যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে করলেন এক বড়ো ভবিষ্যতবাণী!

প্রধানমন্ত্রী পদে মোদীজি আসার পর থেকেই যেভাবে তিনি নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন তার সুনাম আজ বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে। মোদী সরকার আসার পর থেকে দেশের দুর্নীতির উপর লাগাম লাগার সাথে সাথে দেশের উন্নয়ননে এক নতুন মাত্র এসেছে। আজ ভারতের অর্থব্যবস্থা উন্নতিশীল দেশগুলিকে পেছনে ফেলে দিয়েছে।এর মধ্যে সামনে ২০১৯ কে দেখে দেশের সমস্থ রাজনৈতিক দলগুলি এক হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে হারানোর জন্য দাঁড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে দেশের মানুষ সমস্থকিছু বুঝতে পারছে তাই মোদীজিকে ২০১৯ এ অসম্ভব। ২০১৯ নির্বাচনের ওই পেক্ষাপটে আমেরিকার এক বিখ্যাত ব্যাবসায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে ঘোষণা করেছে। আসলে সিসকো সিস্টেম এর সিইও এবং আমেরিকার নামকরা উদ্যোগপতিদের মধ্যে একজন জন চেম্বার্স ভারতীয় সমূহের সাংবাদিকদের কাছে বড়ো ঘোষণা করেন। জন বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৯ নির্বাচনে না জয়ী হন তাহলে ভারতের প্রভাবশালী বিকাশ এবং বৃদ্ধি আটকে যাবে। উনি। বলেন, ভারতের কাছে এই একটা সুযোগ রয়েছে যাতে ভারত বিশ্বে দ্রুতগতিতে বৃদ্ধিশালী একটা দেশ হতে পারে। জন চেম্বার্স বলেন ‘ভারতকে সঠিক স্থানে পৌঁছানোর জন্য পুরো...

এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে মোদী সরকার ভারতে প্রধান অতিথি হিসেবে কাকে আনতে চলেছে জানলে অবাক হবেন।

দেশে মোদী সরকার আসার পর থেকে প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশকে চমক দিয়েছেন দেশ- বিদেশের হেভিওয়েটদের আমন্ত্রণ জানিয়ে। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বছর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির করেছিলেন। ঠিক তার পরের বছর এনেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদকে। এমনকি ২০১৭ সালে মানে আগের বছর তারা প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করেছিলেন আবু ধাবির যুবরাজ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহায়ানকে তিনি সেই নিমন্ত্রণ পেয়ে খুব খুশি হয়েছিলেন এবং সেই দিন তিনি ভারতে এসে উউপস্থিত হয়েছিলেন। এবার ২০১৯ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমন্ত্রন জানালো ভারত। জানা গিয়েছে ভারত এই বছর এপ্রিলে মাসেই তাকে আমন্ত্রন পত্র পাঠিয়ে দিয়েছে। তারপর কিছু আলাপ আলোচনা হলেও সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি ওয়াশিংটনের তরফ থেকে। কিছুদিন ধরেই চারিদিকে মোদীর বিদেশনীতি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সমালোচক ও বিরোধীরা প্রতিবেশী দেশ গুলির সাথে সম্পর্ক নিয়ে দিন দিন সরব হচ্ছে। এই অবস্থাতে যদি ট্রাম্পকে ভারতে আনা যায় তাহলে সেটি ইতিবাচক দিক হিসাবেই দেখছ...

হিন্দুদের অপমানের পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অপমান করলো কংগ্রেস।

২০১৯ সামনে আসার সাথে সাথে কংগ্রেস তাদের হিন্দুবিরোধী নীতি নিয়ে এগোতে শুরু করে দিয়েছে। আসলে কংগ্রেস স্বাধীনতার পর থেকেই এক সম্প্রদায়ের তোষণের জন্য হিন্দুদের বলি বানিয়ে এসেছে। আর সামনে ২০১৯ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই নীতি শুরু করে দিয়েছে এবং হিন্দু সমাজকে যেনতেন প্রকারে অপমান করার কাজে লেগে পড়েছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি কংগ্রেস হিন্দুদের আতঙ্কবাদী তকমা দেওয়ার পর এবার ‘হিন্দু পাকিস্তান’ নামে নতুন শব্দের উত্থান করেছে।কংগ্রেসের বক্তব্য যদি ২০১৯ এ বিজেপি যেতে তাহলে সংখ্যাগুরু হিন্দুরা নাকি পাকিস্থানের মুসলিম জঙ্গিদের মতো আচরণ করবে। কংগ্রেসের এই বক্তব্য রেখেছেন বরিষ্ট নেতা শশী থারুর।শুধু এই নয় এই বিষয়ে কংগ্রেসের আরেক হিন্দু বিরোধী বরিষ্ট নেতা দিগ্বিজয় সিং থেকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এমন কথা বলেন যার উপর নতুন বিবাদ সৃষ্টি হয়। আসলে দিগ্বিজয় সিং বলেন পাকিস্থানের রাষ্ট্রপতি জিয়া হুল হক যেমন জামাত এ ইসলাম, তালিবানি ইসলামীকে সমর্থন করেছিলেন সেইভাবে হিন্দুউগ্রবাদ ও ভারতের জন্য ক্ষতিকারক। দিগ্বিজয় সিং কট্টরপন্থী জিহাদি জিয়া উল হককে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে তুলনা করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে...